বৃহষ্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০১০

Microsoft Access-2003 Bangla Tutorial

Microsoft access হচ্ছে একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম। এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্পেশাল কোনো সফটওয়্যারের বিপরীতে ব্যবহার করা হয়। ধরা যাক কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পদবী থেকে শুরু করে বেতন ভাতা, ঠিকানা, চাকরির যোগদানের তারিখ, ছবি, ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যম, যোগদানকালীন যে পদে নিয়োগ, পরবর্তীতে ধাপে ধাপে কোন কোন পদে পদোন্নতি ইত্যাদি অর্থা যেকোনো কর্মকর্তা/ কর্মচারীর যাবতীয় তথ্যাদি এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। পরে যেকোনো সময় switch board এর মাধ্যমে তা দেখা যায়।

microsoft access প্রোগ্রামে মূলত চারভাবে database তৈরি করা যায়-

Table wizard, table window, scratch, database

আমরা অন্যান্য অফিস প্রোগ্রামে বিভিন্ন মেন্যুতে গিয়ে সব কাজ করি কিন্তু এখানে মেন্যুতে না গিয়ে sub menu গবহকে কাজ করা যায়।

শুরুতেই বলা হয়েছে, Microsoft access হচ্ছে একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের শুধু মৌলিক ধারনাটুকু আমরা আপনাদের জানিয়ে দেব। কেননা এই প্রোগ্রামটি আপনি যেক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন সেক্ষেত্রে তার ব্যবহার বা রূপ পরিবর্তন হবে।

এবার মাইক্রোসফট এক্সেস প্রোগ্রাম শুরু করা যাক-

আমরা অন্যান্য অফিস প্রোগ্রাম যেভাবে শুরু করেছি এটা সেভাবে শুরু করুন।

যেভাবে নতুন ডাটাবেজ ফাইল তৈরি করবেন

Microsoft access প্রোগ্রাম চালু করার সাথে সাথে আপনিtask pane থেকে create new file অথবা file menu থেকেnew কি্লক করে task pane হতে blank database চাপুন। অতঃপর file new database ডায়ালগ বক্স আসবে। তাতেfile name টাইপ করে create বাটন চাপুন। এরপর ফাইলের নাম যুক্ত একটি ডাটাবেজ উইন্ডো প্রদর্শিত হবে যাতে বিভিন্ন object (table query ...) লেখা থাকবে এবং তা থেকে আপনাকে প্রথমে যেকোনো কাজ করতে হলে নতুন করে একটি টেবিল তৈরি করতে হবে।

যেভাবে নতুন ডাটাবেজ টেবিল তৈরি করবেন

new database File তৈরি করার পর যে ডাটাবেজ উইন্ডোটি আসবে তা থেকে table ট্যাবে ক্লিক করুন এবং উপরে new button এ চাপ দিন। দেখবেন একটি new table ডায়ালগ বক্স আসবে যা থেকে data sheet view ,table wizard , importable ,link table তৈরি করা যায় কিন্তু আমরা সাধারণত যেকোনো কাজ করতে গেলে design view দিয়ে শুরু করি।

ডিজাইন ভিউ দিয়ে টেবিল তৈরি করার সময় data Type ডাটার ধরন-

কোন ফিল্ডে কি ধরনের তথ্য জমা থাকবে তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। এক্সেস-এ আমরা ১০ ধরনের ডাটা ইনপুট করতে পারি। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হল-

text : ডাটাবেজে যে জিনিসটি বেশি ব্যবহৃত হয় সেটি হল টেক্সট। এই ফিল্ডের ধারণক্ষমতা ২৫৫ ক্যারেক্টার। এই ফিল্ডে বর্ণ, বিরামচিহ্ন ছাড়াও আরও বেশ কিছু চিহ্ন লেখা যায়।

memo : মেমো ফিল্ডটি টেক্সট ফিল্ডের বিপরীতে ব্যবহার করা হয়। টেক্সট ফিল্ডে যে সব তথ্য রেকর্ড করা যায় তার সম্পর্কে অতিরিক্ত কোনো কিছু নোট করতে গেলে এই ফিল্ডটি ব্যবহৃত হয়।

data /Time : সময় ও তারিখ টাইপ করতে গেলে এই ফিল্ড ব্যবহৃত হয়। তারিখ ও সময়ের ফরম্যাট কি ধরনের নির্ধারিত হয় তা এর প্রপার্টিজের উপর নির্ভর করবে।

currency: যেকোনো মুদ্রা বা টাকার অংক প্রবেশ করানোর জন্য এই ফিল্ডটি ব্যবহৃত হয়। যদিও Yes /Noফিল্ডের মাধ্যমে প্রবেশ করানো যায় কিন্তু এই ফিল্ডটি দশমিক স্থান সহ বের করতে পারে।

Auto number : বিভিন্ন সংখ্যার উপর যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি ক্যালকুলেট করার জন্য এ ফিল্ডকে ব্যবহার করা হয়।

চলবে------------

বৃহষ্পতিবার, ২৫ জুন, ২০০৯

পার্ট-1 : কেন ওয়েব সাইট?

একটি ওয়েবসাইট আপনাকে বা আপনার প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনে রিপ্রেজেন্ট করে। এর মাধ্যমেই আপনি আপনার চিন্তা ভাবনা, জ্ঞান, আপনার সংস্কৃতি বা আপনার দ্রব্য, প্রোডাক্ট, আপনার ওয়ার্কশপ ইত্যাদি ছড়িযে দিতে পারেন সারা বিশ্বজুড়ে। যে কোন স্থানে যেকোন সময় যে কেউ দেখতে পারে আপনার ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট ই আপনাকে কমমূল্যে দিতে পারে সর্বোচ্চ সেবা।মনে করুন, আপনি একজন লেখক, পাঠকরা জানতে চায় আপনি কেমন লেখেন, আপনার প্রকাশিত অন্যান্য লেখা, আপনার চিন্তা ভাবনা, মোট কথা আপনার সম্পর্কে সব কিছু। আপনার ওয়েবসাইট খুবই অল্প সময়ে আপনাকে সেই সুবিধা করে দিচ্ছে।

আপনি একজন সার্ভিস প্রোভাইডার? একজন দোকানের মালিক? একজন কৃষক? একজন রাজনীতিবিদ?

আপনি যেই হোন আপনার সম্পর্কে জনগন জানতে চাইলে সবচেয়ে সহজ উপায় আপনার একটি ওয়েব সাইট। ধরেন আপনি একজন গার্মেন্ট মালিক, আপনি বিদেশে আপনার পোশাক রপ্তানি করতে চান। আপনার গ্রাহক আপনাকে স্যাম্পল পাঠাতে বল্লেন খুব দ্রুত। পারবেন আপনি? সমস্যা নেই আপনাকে সাহায্য করবে আপনার ওয়েবসাইট। জাস্ট আপনার স্যাম্পলের ফটোগ্যালারী বানাবেন। আর আপনার সাইটের ঠিকানা মেইল বা SMS বা FAX পাঠিয়ে দিবেন আপনার ক্লায়েন্ট এর ঠিকানায়।আমাদের দেশ ডিজিটাল হচ্ছে। মোটামুটি প্রায় সবারই মোবাইল আছে। বেশির ভাগ মধ্যবিত্ত পরিবারএরই আছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ। তাই আপনি সকলের কাছে পৌছার সবচে’ সহজ উপায় ইন্টারনেট। যেখানে থাকবে আপনার একটি অনলাইন ওয়েবসাইট।

ওয়েব সাইট টিউটোরিয়াল পার্ট দুই: কত রকমের ওয়েবসাইট?আগের লেখায় আপনাদের ধারণা দেয়া হয়েছিল ওয়েবসাইট কি। আজ আমি লিখব ওয়েবসাইট কত প্রকারের হতে পারে। নিচে বিভিন্ন ওয়েব সম্পর্কে ধারণা দেয়া হলোস্ট্যাটিক ওয়েব সাইট: বেশির ভাগ সাইটের প্রিমেটিভ ফর্ম হচ্ছে স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট। এসকল ওযেবসাইট কেবল মাত্র HTML দ্বারা তৈরী বা এডিট করা যায়। এসকল সাইটে কম তথ্য বা প্রেজেন্টেশন থাকে, অর্থাৎ ৫-১৫ টি পেজ থাকে এবং কোন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টএর দরকার হয়না। যেমন, www.arksylhet.com www.sananddesign.com www.banglagamer.com ইত্যাদী। বিভিন্ন পারসোনাল সাইট, প্রমো সাইট, প্রেসেন্টেশন সাইট, ফটোগ্যালারী গুলো স্ট্যাটিক সাইট হয়।ডায়নামিক ওয়েব সাইট: বিভিন্ন ধরণের তথ্যাবলি সম্বলিত সাইট হলো ডায়নামিক সাইট। সাধারণত এসকল সাইট হয় ই-কমার্স ভিত্তিক। এসাইটের ডাটা গুলি যেকোন সময় ইনসার্ট, এডিট, ডিলেট বা আপডেট করা যায়। বর্তমানে কমার্স বেজড সাইট গুলো হচ্ছে ডায়নামিক। এসকল সাইট আপনি অনলাইন আপডেট করতে পারবেন।

যেমন, www.wordpress.com www.blogspot.com www.amazon.com www.ebay.com www.download.com ইত্যাদী।বিভিন্ন ব্লগ, কমুনিটি সাইট, ফ্রেন্ডলী সাইট,ফোরাম গুলো ডায়নামিক সাইটের অভ্যন্তরে পড়ে। রেফারেন্স: http://www.foxdevel.com.

পার্ট -2 : ওয়েব ডিজাইন কি?

আগের লেখাগুলিতে আপনাদের ধারণা দেয়া হয়েছিল কেন ওয়েবসাইট দরকার? এবং তা কত প্রকারের হতে পারে। আজ আমি লিখব ওয়েব ডিজাইন কি!ওয়েব ডিজাইন বলতে বুঝায় আসলে ওয়েব সাইট তৈরী বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। যার অর্থ, একটি ওয়েবসাইট এর চেহারা বা আদল তৈরী, উপস্থাপন, মূলকথা পুরো একটি ওয়েবসাইট তৈরী করাকে। আইটি প্রফেশনালদের কাছে এর আরো গুঢ় অর্থ রয়েছে।আসলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বুঝায় একটি সাইটের পেছনের কারিগরী দিক গুলি। আর ডিজাইন হলো সাইটটির চেহারা। অর্থাৎ আমরা কোন ওয়েব এড্রেসে গেলে যে চেহারা/নকশা/ছবি/পেজ আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে তার ডিজাইন বা করাটা হলো ওয়েব ডিজাইন। আর এই ডিজাইনের বিভিন্ন পার্ট গুলো সামন্জস্য করার জন্য যার দরকার হয় তা হলো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট।ওয়েব ডিজাইনের জন্য যা যা প্রয়োজনীয় তা হলো১। কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু।

২। ইউজাবিলিটি বা ব্যবহারোপযোগীতা। ৩। এপিয়ারেন্স বা চেহারা ৪। ভিজিবিলিটি বা সহজে দেখার যোগ্যতাএকটি ওয়েবসাইট ডিজাইনের সময় এ বিষয়গুলো অবস্যই মাথায় থাকতে।

ওয়ার্ডপ্রেস। (http://wordpress।org/about/)২০০৩ সালে সামান্য কোডিং দিয়ে শুরু হয়েছিল। মূলত বিভিন্ন কমিউনিটি সাইট গুলোতে সহযে প্রশ্নউত্তর,মন্তব্য ইত্যাদি পোস্ট করার জন্য ম্যাসেজ বোর্ড এর মত ওয়ার্ডপ্রেস এর উৎপত্তি। বর্তমানে লাখ লাখ ইউজার ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাবহার করছে। বর্তমানে অনেক কর্পোরেট সাইট তাদের সাইট গুলো ওয়ার্ডপ্রেস ফর্মে নিয়ে গেছে। যাতে আপনাকে কিছু জানার জন্য আর তাদের কন্টাক্ট আস বা ফিডব্যক নামক পেচাল ব্যবহার করতে নাহয়। ওয়ার্ডপ্রেস একটা ওপেন সোর্স কোড। আপনি সামান্য প্রোগ্রামিং জ্ঞান থাকলেই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস কে আপনার মত গড়ে নিতে পারবেন। আপনার মনের মাধুরী মিশিয়ে বানাতে পারবেন আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট/কমিউনিটি। তবে বেশীর ভাগ ইউজার ই ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ হিসাবে ব্যবহার করে। আবার এটি ব্যবহৃত হয় পাবলিশিং প্লাট ফর্ম হিসাবেও।কি কি আছে?:::ওয়ার্ডপ্রেস ডট।কম (http://wordpress।com/) এ গিয়ে আপনি ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বানাতে পারবেন। এতে রয়েছে ১। কন্ট্রোল ড্যাসবোর্ড: যা দিয়ে আপনি ইচ্ছামত আপনার ব্লগ সাজাতে পারবেন।২। থিম: আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর বিভিন্ন সুন্দর ফ্রি থিম হতে বাছাই করতে পারবেন আপনার পছন্দের থিম। আপনি যদি CSS জানেন তাহলে আপনি সেই থিমের কালার সাইজ ইত্যাদী পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে ফ্রি হওয়ার কারনে আপনি থিম ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে পারবেন্না।৩। উইজেটস: ওয়ার্ডপ্রেস এর সহায়ক কন্ট্রোল বা সাইটের সুবিধা বাড়ানোর জন্য রয়েছে অনেক উইজেটস। আপনি ড্যাসবোর্ড হতে বাছাই করতে পারবেন মনের মত উইজেটস। যেমন : ক্যালেন্ডার, পোস্টক্যালেন্ডার, ওয়াচ, ট্যাগক্লাউডস।৪। সবচে, দারুন যে ফিচার তা হলো ওয়ার্ডপ্রেস বাংলায় পাওয়াযায়। জাস্ট আপনার ড্যাসবোড কন্ট্রোলে গিয়ে ল্যাংগুয়েজ পাল্টালেই চলবে।৫। ইউজার রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।সমস্যা: ফ্রি জিসিষের সমস্যা তো আছেই। যেমন, আপনি রুটলেভেলের অনেক কিছু চেন্জ করতে পারবেন্না। থিমএ পরিবর্তন আনতে হিমষিম খেতে হবে। লিমিটেড ইউজার কম্পাটিবিলিটি।এবার আসি ওয়ার্ড প্রেস.ওআরজি (http://wordpress.org/) তে।আপনার যদি নিজস্ব সার্ভার খাকে তাহলে এখান হতে ওয়ার্ডপ্রেস ডাউনলোড করে আপনার সার্ভারে ইনস্টল করতে পারবেন।যা যা দরকার সার্ভারেphp,MYSQL,Apache Supported server. ব্যাস আর কিছুনা। কি কি আছে? ::উপরের সব সুবিধাই আছে। তবে আসল সুবিধা হলো আপনি আপনার ইচ্ছামত কোডিং ব্যবহার করে ওয়ার্ডপ্রেস সাজাতে পারবেন। বানাতে পারবেন থিম,উইজেক্টস ইত্যাদি। আপনার সাইটে ইউজার রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। লিখতে পারবে ব্লগ। আপনি নিজে থিম তৈরী করে বিক্রি বা ফ্রি দিতে পারবেন। সবই থাকবে আপনার হাতের মুঠোয়।

---------ওয়েব থেকে পাওয়া




Google AdSense-----ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন

Google AdSense-----ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন
Google AdSense থেকে উপার্জনের কিছু থিউরিটিক্যাল ও প্রাকটিক্যাল আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। তার আগে আলোচনার একটি শ্রেণীবিভাগ করে নেই।
আমরা মূলত পাঁচটি ভাগে আলোচনাটা করবো যাতে নির্দিষ্ট কোন টপিকে আলাদা আলাদা প্রশ্ন করা যায়।
১) AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
২) AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)
৩) AdSense এর জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ও কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়
৪) এডস প্রতিস্থাপন ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি
৫) গুগল থেকে টাকা নিজের পকেটে আনার প্রক্রিয়া
এই সবগুলো ধাপের সাথেই থাকছে কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস এবং করণীয় ও বর্জনীয়। সেই সাথে প্রশ্ন ও উত্তর পর্বে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করা হবে।

আসুন শুরু করি-
AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
AdSense মূলত একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যারা আপনার আমার জন্য বিভিন্ন কোম্পানী/ওয়েব থেকে বিজ্ঞাপন এনে দেয় এবং আপনার রেভিন্যু প্রাপ্তি নিশ্চিত করে। গুগলের আরেকটি সার্ভিস রয়েছে যেখানে যেকেউ তার কোম্পানী বা ওয়েবের বিজ্ঞাপন দিতে পারে। সেখান থেকে প্রাপ্ত বিজ্ঞাপনগুলো AdSense এর কোডের মাধ্যমে মাধ্যমে আপনার সাইটে রেন্ডমলি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সাধারনত প্রতিটি এডস প্রদর্শন, ক্লিক, ফ্রি সাইনআপ, বিক্রিয়, সেবাগ্রহন ইত্যাদির বিনিময়ে কোম্পানীগুলো গুগলকে টাকা দিয়ে থাকে। এই কাজটা যখন আপনার ওয়েব বা ব্লগের মাধ্যমে হয়ে থাকে তখন আপনাকে সেই টাকার একটা অংশ আপনাকে দেয় গুগল। পুরো প্রক্রিয়াটা খুবই সুক্ষ ও স্মার্টলি সম্পন্ন হয়.. সুতরাং নিশ্চিন্তে গুগলের উপরে ভরসা করতে পারেন।


AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)

গুগল এডসেন্স মূলত আপনাকে একটি বিজ্ঞাপন কোড দিবে আপনাকে ওয়েবের কোথাও রাখতে হবে যাতে লোকজন সেটি দেখতে পায়। সেজন্য আপনি আপনার ব্যক্তিগত সাইট বা ফ্রি ব্লগ সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারেন।

ব্যক্তিগত সাইটের জন্য:
একটি ডোমেইন ও কিছু স্পেস কিনে আপনি শুরু করে দিতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত সাইটের কার্যক্রম। একাজটির জন্য আপনার কিছু অর্থ খরচ হয়ে যাবে। তবে বিনামূল্যেও কাজটি করা যায়। এবিষয়ে কেউ আগ্রহী হলে পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

ফ্রি ব্লগ সাইটের জন্য:
পৃথিবীতে অনেকগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস পাবেন যেখানে আপনি গুগলের এডস রাখতে পারবেন। এরভেতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্ভিস হচ্ছে ব্লস্পট (blogspot)। আজকে আমরা ব্লগ স্পটে কিভাবে ব্লগ করতে হয় তা নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

১) ব্লগ স্পটে ফ্রি ব্লগ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি গুগল একাউন্টের মালিক হতে হবে। সেজন্য চলে যান http://gmail.com

২) সাইনআপ কম্প্লিট হলে ওপেন করুন blogspot.com ( http://www.blogspot.com )। উপরে দেয়া ছবিটির মত একটি পেজ আসবে যেখানে আপনি আপনাকে গুগল আইডিটি দিয়ে লগইন করতে হবে।

৩) ঠিক ঠাক মত লগইন করতে পারলে Sign up for Blogger পেজ আসবে এবং আপনাকে Display name দিতে বলবে। ডিসপ্লে নামটি মূলত ব্লগে আপনার নিক হবে। এটি যেকোন সময় পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং যেকোন একটি দিয়ে ফেলতে পারেন। নাম দেয়া হলে Terms of Service পড়ে যদি মানতে রাজী হন তাহলে Acceptance of Terms এর চেকবক্সে ক্লিক করে Continue করুন। (বেশীর ভাগ মানুষই Terms of Service পড়তে বিরক্তবোধ করেন। কিন্তু একটি সাইটের কোন সার্ভিস গ্রহন করার আগে এটি পড়ে নেয়া জরুরী)।

৪) এবার ব্লগস্পট আপনাকে Dashboard পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনি Create your blog now এ ক্লিক করে ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। তাহলে ক্লিক করুন Create your blog now লিংকে।

৫) ব্লগস্পট আপনাকে এবার Name your blog পেজে নিয়ে আসবে যেখানে আপনি আপনার Blog title ও Blog address (URL) ঠিক করবেন। একটি বিষয় মাথায় রাখুন যে গুগল বা ইয়াহুর মত ব্লগস্পটেও বেশীর ভাগ নাম দখল হয়ে গিয়েছে। সুতরাং Blog address (URL) এ কোন নাম দেয়ার পর Check Availability এ ক্লিক করে দেখে নিন।

৬) ব্লগস্পট এবার আপনাকে Choose a template পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনার রুচিমত একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে Continue করতে পারেন। Template যেকোন সময়ই পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এটি নিয়ে খুব বেশী না ভেবে আপাতত একটি নিয়ে ফেলুন।

৭) সবঠিক ঠাক মত সম্পন্ন হলে Your blog has been created! ম্যাসেজ পাবেন আরেকটি পেজে। Start posting এ ক্লিক করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন।

লক্ষ করুন- ৫ নং ধাপে আপনি যে Blog address (URL) দিয়েছিলেন, সেটি আপনার ব্লগ লিংক। যেমন আমার ব্লগস্পট লিংক হলো http://trivuz.blogspot.com । আগামী পর্বে এডসেন্সে সাইনআপ করতে এটি কাজে লাগবে।
অনলাইনে বসে আয় করা যায় এই কথাটি অনেকে গুজব মনে করেন। অনেকে ভাবেন ধোঁকাবাজী... তাদের দোষ নেই আসলে.. অর্থ উপার্জন নিয়ে এত পরিমান দুইনাম্বারী হয় অনলাইনে যে এই বিষয়ে পজিটিভ মনোভাব বজায় রাখা সত্যিই কঠিন। তবে Google AdSense এর বিষয়ে তেমন কোন দুইনাম্বারির খোঁজ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। তাছাড়া আমি নিজেই গুগল থেকে অনেকবার টাকা তুলেছি... সত্যিকারের টাকা!

গুগল মূলত ওয়েষ্ট্রান ইউনিয়ন, ব্যাংক একাউন্ট বা চেকে পেমেন্ট করে থাকে। বাংলাদেশী ব্যবহাকারী হিসেবে আপনি চেকের মাধ্যমে সহজেই টাকু তুলতে পারেন। অনেকে হয়তো ভাবছেন চেক কিভাবে আসবে বা এধরনের কিছু। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কিছু নেই... বাংলাদেশের মত দুর্গম (আইটি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে) অঞ্চলে বসেও চেক পেয়ে যাচ্ছে অনেকে।

ভাবছেন আপনার ওয়েব সাইট নেই, কম্পিউটার সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না.. তো কিভাবে সম্ভব? অসম্ভব নয় একেবারেই। একটু কষ্ট করলে আপনিও পেতে পারেন গুগলের চেক.. বাসায় বসেই। কিছু না হোক, অন্তত যদি নেটের বিল ও ব্যক্তিগত খরচটুকু চলে আসে, তাতেই বা কম কিসে?

সুতরাং প্রস্তুত হোন... গুগল এডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জনের জন্য।
_____________________________________________________________________________________
ধরে নেয়া হলো আপনার ব্লগ বা সাইটের লিংকটি নিন্মরুপ-
http://blog.something.com

তাহলে শুরু করা যাক।

১) AdSense পেজ খুলে ডান দিকে উপরে Sign up now >> বাটনে ক্লিক করুন। সাইনআপ ফর্ম চলে আসবে...
২) ফর্মের Website Information সেকশনে Website URL: এ আপনার ব্লগ বা সাইটের ওয়েব লিংক বসান।
উদাহরণ:
Website URL: http://blog.something.com
যে সাইটের লিংকটি দিয়ে আবেদন করবেন, সেটি ইংরেজীতে হওয়া বাঞ্ঝনীয়।তবে ইদানিং এডসেন্সের রুলস অনেক শিথিল করা হয়েছে.. গুগল বাংলা সমর্থন না করলেও বাংলা সাইটের জন্যও আবেদন গ্রহন করা হচ্ছে শুনতে পেয়েছি। তবুও আবেদনের গ্রহনযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য ব্লগস্পটের ব্লগটিতে ইংরেজীতে কিছু পোস্ট লিখে রাখতে পারেন।
৩) Website language: ইংরেজী নির্বাচন করুন এবং নিচের দুটো চেকবক্সে টিক দিয়ে দিন। চেক বক্সদুটোতে লেখা থাকবে-
[ ] I will not place ads on sites that include incentives to click on ads.
[ ] I will not place ads on sites that include pornographic content.

৪) Contact Information এ Account type: এ Individual নির্বাচন করুন। বিজনেস নির্বাচন করলে তেমন কোন পরিবর্তন হবে না শুধু মাত্র চেকটি আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যু হওয়া ছাড়া। আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।
৫) Country or territory: তে যে দেশ নির্বাচন করবেন, নিচে সেই দেশের উপযোগী এড্রেস ফিল্ড পাবেন। বাংলাদেশ থেকে টাকা পেতে চাইলে নির্বাচন করুন Bangladesh.
৬) Payee name (full name): এ আপনার সঠিক নামটি লিখুন যে নামে ব্যাংক একাউন্ট করা সম্ভব বা যেটি আপনার সার্টিফিকেটে রয়েছে। কারন এ নামেই চক ইস্যু হবে এবং এই নাম পরবর্তিতে পরিবর্তন করা যায় না। এবিষয়টি একটু সতর্কতার সাথে পুরন করুন।
৭) আপনার সঠিক এড্রেসটি দিয়ে I agree that I can receive checks made out to the payee name I have listed above চেক বক্সে চেক করুন। লক্ষ করুন, আপনার সঠিক টেলিফোন/মোবাইল নাম্বারটিও দিতে হবে।
৮) Policies-এর তিনটি চেক বক্সেই চেক করতে হবে। তার আগে AdSense Program Policies টা অবশ্যই পড়ে নিবেন। এখুনি পড়তে না চাইলে বুকমার্ক করে রাখুন। নতুনদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন।
৯) সবকিছু আরেকবার পরীক্ষা করে সাবমিট করুন... একটি কনফার্মেশন পেজ চলে আসবে যেখানে আপনার পুরন করা তথ্যগুলো দেখাবে।
১০) এবার Which best describes you? প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। (ধরে নেয়া হলো আপনার একটি জিমেইল আইডি রয়েছে.. কারন আগের পর্বে আপনি ব্লগস্পটে ব্লগ তৈরি করেছিলেন।)
১১) Would you like to use your existing Google Account for AdSense? এ ও প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। (I'd like to use my existing Google account for AdSense.)..
এবার গুগলের লগইন করার বক্স আসবে...
আপনার গুগল আইডি (জিমেইলে যেটি ব্যবহার করেন) ও পাসওয়ার্ড দিন)

Continue করুন... সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনাকে দুই/তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। একাউন্ট গ্রহন করা হলে আপনাকে মেইল করে জানিয়ে দিবে।
একাউন্ট গ্রহন করার পর কিভাবে এডসেন্সে লগইন করে বিজ্ঞাপন কোড বানিয়ে তা সাইটে/ব্লগে বসাতে হয় তা নিম্নরুপ-
___________________________________________________________________________
গুগল আপনার আবেদন গ্রহন করে থাকলে আপনি এতদিনে এডসেন্সে লগইন করার অনুমতি পেয়ে গিয়ে থাকবেন। আশা করা যায় অনেকেই এডসেন্সে লগইন করে কিভাবে বিজ্ঞাপন সেটাপ করতে হয় তা শিখে ফেলেছেন। যারা বিষয়টি জটিল ভেবে কিছুই করেননি, তাদের জন্য এই পর্ব। তাহলে চলুন শুরু করি-

বিজ্ঞাপন কোড তৈরি করা: এডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েব এডস আপনার সাইটে দেখতে চাইলে আপনাকে প্রথমে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপনের জন্য কোড তৈরি করে নিতে হবে। নিচের ধাপগুলো ফলো করুন-

১) http://adsense.com ওপেন করে যে মেইল আইডিটি দিয়ে সাইনআপ করেছিলেন সেটি দিয়ে লগইন করুন।
২) ঠিক ভাবে লগইন করতে পারলে আপনি আপনার একাউন্টস কন্ট্রোল প‌্যানেলে চলে আসবেন যেখানে আপনার উপার্জন করা টাকার হিসেব ২) ঠিক ভাবে লগইন করতে পারলে আপনি আপনার একাউন্টস কন্ট্রোল প‌্যানেলে চলে আসবেন যেখানে আপনার উপার্জন করা টাকার হিসেব, AdSense Setup এবং আরো বিবিধ অপশন রয়েছে। AdSense Setup এ ক্লিক করুন।
৩) AdSense Setup পেজে তিন ধরনের সেটাপ করতে পারবেন। AdSense for Content, AdSense for Search এবং Referrals। AdSense for Content এ ক্লিক করুন।
৪) AdSense for Content পেজে আপনি দুই ধরনের এডস বানাতে পারবেন। Ad unit এবং Link unit। প্রাথমিক ভাবে আমরা Ad unit নিয়ে কাজ শুরু করবো। সুতরাং Ad unit এ ক্লিক করে কন্টিনিউ করুন। (ড্রপ ডাউন লিস্টে টেক্সট এন্ড ইমেজ এডস সিলেক্ট করা থাকবে বাই ডিফল্ট। আপাতত পরিবর্তন করার দরকার নেই।)

৫) Choose Ad Format and Colors এ Format, Colors ও Corner Styles ঠিক করে নিতে পারবেন। এগুলোর বিষয়ে একটু বিস্তারিত বলি-
ক) Format: এডস ফরম্যাট হলো আপনার বিজ্ঞাপনের আকার আকৃতি। গুগলে অনেক ফরম্যাটে বিজ্ঞাপন ব্লক তৈরি করা যায়।সবগুলোর একটা প্রিভিউ দেখতে চাইলে ক্লিক করুন- https://www।google.com/adsense/adformats


খ) Colors: আপনার বিজ্ঞাপনের টেক্সট কালার, বর্ডার কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ইত্যাদি নির্বাচন করতে পারবেন এখানে। আপনার সাইটে সাথে ম্যাচ করে তৈরি করে ফেলুন বিজ্ঞাপনের কালার… অত:পর Palettes হিসেবে সেভ করে রাখুন ভবিষ্যতে সরাসরি ব্যবহারের সুবিধার্থে।

গ) Corner Styles: এটি তেমন গুরুর্তপূর্ন কিছু নয়.. তবে বিজ্ঞিপনের সৌনর্য বর্ধনে কাজে দেয়। এটি দিয়ে বিজ্ঞাপন ব্লক কি চারকোনা হবে না ওভাল হবে, তা নির্বাচন করতে পারবেন।

সুতরাং আপনার পছন্দমত বিজ্ঞাপন ব্লক তৈরি করে ফেলুন এবার। অত:পর কন্টিনিউ করুন।

৬) Choose Ad Channels এ আপনি আপনার বিজ্ঞাপনের জন্য চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন। সাধারনত যদি আপনার একাধিক সাইট থাকে, তাহলে প্রতিটি সাইটের জন্য আলাদা চ্যানেল তৈরি করে নিতে পারেন। এতে করে কোন সাইট থেকে কত ইনকাম হচ্ছে তা জানতে পারবেন। এছাড়াও এর আরো কিছু ব্যবহার রয়েছে। সেগুলো নিয়ে পরে কখনো আলোচনা করবো। Add new channel এ ক্লিক করে চ্যানল যুক্ত করে নিন।
৭) Save and Get Ad Code এ আপনার এড ব্লকের নাম নির্ধারন করুন। এই নামে পরবর্তিতে এই এডস ব্লকটা ম্যানেজ সেকশানে পাবেন। সুতরাং এমন কোন নাম দিন যেটা দেখলে আপনার মনে পড়ে যাবে ঐ এডসটি কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। অত:পর সাবমিট এন্ড গেট কোড বাটনে ক্লিক করুন।

৮) সবকিছু ঠিকঠাক মত করতে পারলে আপনি আপনার বিজ্ঞাপন কোড পেয়ে যাবেন। কোডটুকু কপি করে আপনার সাইটে লাগানোর দশ মিনিট পর হতেই গুগলের বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করবে। এখানে একটি বিষয় সবসময় খেয়াল রাখবেন। গুগলের এই কোডে কোনরকম পরিবর্তন করলে গুগল টার্মস এন্ড সার্ভিস ব্রেক করা হবে যা আপনার একাউন্ট বাতিলের কারন হতে পারে।

বিজ্ঞাপন কোড সাইট/ব্লগে লাগানো:
আশা করি সবাই এডস কোড বানাতে পেরেছেন। এবার চলুন কোডটি কিভাবে আপনার ব্লগস্পটে সেটাপ করতে হবে শিখে ফেলি-
১) http://www.blogspot.com ওপেন করে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
২) Dashboard হতে ব্লগ Layout -এ চলে যান। (Layout নামে একটা লিংক পাবেন
৩) পেজ লেআউটে Add a Page Element নামে লিংক পাবেন.. ওখানে ক্লিক করলে একটি পপআপ উইন্ডোতে পেজ এলিমেন্ট গুলো দেখতে পাবেন। ওখানে HTML/JavaScript নামে একটি অপশন পাবেন। এডড টু ব্লগ বাটনে ক্লিক করুন।

৪) HTML/JavaScript বসানোর জন্য একটি টেক্সটবক্স চলে আসবে। গুগর এডসেন্স থেকে পাওয়া কোডটুকু এখানে পেস্ট করুন। তারপর Save Changes বাটনে ক্লিক করুন। (Title কিছু দিতে হবে না।)

৫) পেজ লেআউটে গিয়ে দেখতে পাবেন HTML/JavaScript নামে একটি ব্লক যুক্ত হয়েছে। মাউস দিয়ে ড্রাগ করে সেটিকে যেকোন যায়গায় বসাতে পারেন। এরকম আরো দু’টো ব্লক যুক্ত করে সেভ করে ১০ মিনিট পর আপনার ব্লগ ভিজিট করুন। আশা করি বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন।

আজকে এই পর্যন্তই। আগামী পর্বে এডসেন্স বিষয়ক আরো তথ্য নিয়ে হাজির হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। ভাল থাকুন।
______________________________________________________________________

মূল লিখা- www.trivuz.com

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০০৯

Make Write Protection Your Flash-Drive

Goto-->Run, then type regedit
Navigate to the following Registry
key:HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Contro l\
Look at the sub-keys and see if a key named StorageDevicePolicies is listed। If it is skip this paragraph and read the next. If it is not create the key by right-clicking Control and selecting New > KeySee if there is an entry named WriteProtect. It can be easily created if it is not present by right-clicking in the right window and selecting New > DWord from the menu. The following values are allowed for this entry:

0 - This will allow write processes on USB Flash Drives
1 - This will block write processes on USB Flash Drives.

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০০৯

Remove program from your desktop

Whenever you have to remove any software/package/program you have to go to control panel then add/remove programe and for that either go to my computer or start menu. My way is the sleekest one