পার্ট-১ : কেন ওয়েব সাইট?
একটি ওয়েবসাইট আপনাকে বা আপনার প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনে রিপ্রেজেন্ট করে। এর মাধ্যমেই আপনি আপনার চিন্তা ভাবনা, জ্ঞান, আপনার সংস্কৃতি বা আপনার দ্রব্য, প্রোডাক্ট, আপনার ওয়ার্কশপ ইত্যাদি ছড়িযে দিতে পারেন সারা বিশ্বজুড়ে। যে কোন স্থানে যেকোন সময় যে কেউ দেখতে পারে আপনার ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট ই আপনাকে কমমূল্যে দিতে পারে সর্বোচ্চ সেবা।মনে করুন, আপনি একজন লেখক, পাঠকরা জানতে চায় আপনি কেমন লেখেন, আপনার প্রকাশিত অন্যান্য লেখা, আপনার চিন্তা ভাবনা, মোট কথা আপনার সম্পর্কে সব কিছু। আপনার ওয়েবসাইট খুবই অল্প সময়ে আপনাকে সেই সুবিধা করে দিচ্ছে।
আপনি একজন সার্ভিস প্রোভাইডার?
একজন দোকানের মালিক?
একজন কৃষক?
একজন রাজনীতিবিদ?
আপনি যেই হোন আপনার সম্পর্কে জনগন জানতে চাইলে সবচেয়ে সহজ উপায় আপনার একটি ওয়েব সাইট। ধরেন আপনি একজন গার্মেন্ট মালিক, আপনি বিদেশে আপনার পোশাক রপ্তানি করতে চান। আপনার গ্রাহক আপনাকে স্যাম্পল পাঠাতে বল্লেন খুব দ্রুত। পারবেন আপনি? সমস্যা নেই আপনাকে সাহায্য করবে আপনার ওয়েবসাইট। জাস্ট আপনার স্যাম্পলের ফটোগ্যালারী বানাবেন। আর আপনার সাইটের ঠিকানা মেইল বা SMS বা FAX পাঠিয়ে দিবেন আপনার ক্লায়েন্ট এর ঠিকানায়।আমাদের দেশ ডিজিটাল হচ্ছে। মোটামুটি প্রায় সবারই মোবাইল আছে। বেশির ভাগ মধ্যবিত্ত পরিবারএরই আছে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ। তাই আপনি সকলের কাছে পৌছার সবচে’ সহজ উপায় ইন্টারনেট। যেখানে থাকবে আপনার একটি অনলাইন ওয়েবসাইট।আপনি বুঝতে পারছেন্না কেন ওয়েবসাইট বানানো দরকার? সমস্যা নেই এখনি email করুন ...
ওয়েব সাইট টিউটোরিয়াল পার্ট দুই: কত রকমের ওয়েবসাইট?আগের লেখায় আপনাদের ধারণা দেয়া হয়েছিল ওয়েবসাইট কি। আজ আমি লিখব ওয়েবসাইট কত প্রকারের হতে পারে। নিচে বিভিন্ন ওয়েব সম্পর্কে ধারণা দেয়া হলোস্ট্যাটিক ওয়েব সাইট: বেশির ভাগ সাইটের প্রিমেটিভ ফর্ম হচ্ছে স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট। এসকল ওযেবসাইট কেবল মাত্র HTML দ্বারা তৈরী বা এডিট করা যায়। এসকল সাইটে কম তথ্য বা প্রেজেন্টেশন থাকে, অর্থাৎ ৫-১৫ টি পেজ থাকে এবং কোন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টএর দরকার হয়না। যেমন, www.arksylhet.com www.sananddesign.com www.banglagamer.com ইত্যাদী।বিভিন্ন পারসোনাল সাইট, প্রমো সাইট, প্রেসেন্টেশন সাইট, ফটোগ্যালারী গুলো স্ট্যাটিক সাইট হয়।ডায়নামিক ওয়েব সাইট: বিভিন্ন ধরণের তথ্যাবলি সম্বলিত সাইট হলো ডায়নামিক সাইট। সাধারণত এসকল সাইট হয় ই-কমার্স ভিত্তিক। এসাইটের ডাটা গুলি যেকোন সময় ইনসার্ট, এডিট, ডিলেট বা আপডেট করা যায়। বর্তমানে কমার্স বেজড সাইট গুলো হচ্ছে ডায়নামিক। এসকল সাইট আপনি অনলাইন আপডেট করতে পারবেন। যেমন, www.wordpress.com www.blogspot.com www.amazon.com www.ebay.com www.download.com ইত্যাদী।বিভিন্ন ব্লগ, কমুনিটি সাইট, ফ্রেন্ডলী সাইট,ফোরাম গুলো ডায়নামিক সাইটের অভ্যন্তরে পড়ে।রেফারেন্স: http://www.foxdevel.comএরপর আসছে:
পার্ট তিন: ওয়েব ডিজাইন কি?আগের লেখাগুলিতে আপনাদের ধারণা দেয়া হয়েছিল কেন ওয়েবসাইট দরকার? এবং তা কত প্রকারের হতে পারে। আজ আমি লিখব ওয়েব ডিজাইন কি!ওয়েব ডিজাইন বলতে বুঝায় আসলে ওয়েব সাইট তৈরী বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। যার অর্থ, একটি ওয়েবসাইট এর চেহারা বা আদল তৈরী, উপস্থাপন, মূলকথা পুরো একটি ওয়েবসাইট তৈরী করাকে। আইটি প্রফেশনালদের কাছে এর আরো গুঢ় অর্থ রয়েছে।আসলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বুঝায় একটি সাইটের পেছনের কারিগরী দিক গুলি। আর ডিজাইন হলো সাইটটির চেহারা। অর্থাৎ আমরা কোন ওয়েব এড্রেসে গেলে যে চেহারা/নকশা/ছবি/পেজ আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে তার ডিজাইন বা করাটা হলো ওয়েব ডিজাইন। আর এই ডিজাইনের বিভিন্ন পার্ট গুলো সামন্জস্য করার জন্য যার দরকার হয় তা হলো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট।ওয়েব ডিজাইনের জন্য যা যা প্রয়োজনীয় তা হলো১। কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু।
২। ইউজাবিলিটি বা ব্যবহারোপযোগীতা। ৩। এপিয়ারেন্স বা চেহারা ৪। ভিজিবিলিটি বা সহজে দেখার যোগ্যতাএকটি ওয়েবসাইট ডিজাইনের সময় এ বিষয়গুলো অবস্যই মাথায় থাকতে।
লেখা: শামীম আরাফাত রকি-
Group Leader, Webmaster:www।SanAndDesign।com Webmaster:www।kothok।
http://informalbangla.aceboard.com/Website:
http://www.sananddesign.comth3rock.wordpress.com/
ওয়ার্ডপ্রেস। (http://wordpress।org/about/)২০০৩ সালে সামান্য কোডিং দিয়ে শুরু হয়েছিল। মূলত বিভিন্ন কমিউনিটি সাইট গুলোতে সহযে প্রশ্নউত্তর,মন্তব্য ইত্যাদি পোস্ট করার জন্য ম্যাসেজ বোর্ড এর মত ওয়ার্ডপ্রেস এর উৎপত্তি। বর্তমানে লাখ লাখ ইউজার ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাবহার করছে। বর্তমানে অনেক কর্পোরেট সাইট তাদের সাইট গুলো ওয়ার্ডপ্রেস ফর্মে নিয়ে গেছে। যাতে আপনাকে কিছু জানার জন্য আর তাদের কন্টাক্ট আস বা ফিডব্যক নামক পেচাল ব্যবহার করতে নাহয়। ওয়ার্ডপ্রেস একটা ওপেন সোর্স কোড। আপনি সামান্য প্রোগ্রামিং জ্ঞান থাকলেই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস কে আপনার মত গড়ে নিতে পারবেন। আপনার মনের মাধুরী মিশিয়ে বানাতে পারবেন আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট/কমিউনিটি। তবে বেশীর ভাগ ইউজার ই ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ হিসাবে ব্যবহার করে। আবার এটি ব্যবহৃত হয় পাবলিশিং প্লাট ফর্ম হিসাবেও।কি কি আছে?:::ওয়ার্ডপ্রেস ডট।কম (http://wordpress।com/) এ গিয়ে আপনি ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বানাতে পারবেন। এতে রয়েছে ১। কন্ট্রোল ড্যাসবোর্ড: যা দিয়ে আপনি ইচ্ছামত আপনার ব্লগ সাজাতে পারবেন।২। থিম: আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর বিভিন্ন সুন্দর ফ্রি থিম হতে বাছাই করতে পারবেন আপনার পছন্দের থিম। আপনি যদি CSS জানেন তাহলে আপনি সেই থিমের কালার সাইজ ইত্যাদী পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে ফ্রি হওয়ার কারনে আপনি থিম ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে পারবেন্না।৩। উইজেটস: ওয়ার্ডপ্রেস এর সহায়ক কন্ট্রোল বা সাইটের সুবিধা বাড়ানোর জন্য রয়েছে অনেক উইজেটস। আপনি ড্যাসবোর্ড হতে বাছাই করতে পারবেন মনের মত উইজেটস। যেমন : ক্যালেন্ডার, পোস্টক্যালেন্ডার, ওয়াচ, ট্যাগক্লাউডস।৪। সবচে, দারুন যে ফিচার তা হলো ওয়ার্ডপ্রেস বাংলায় পাওয়াযায়। জাস্ট আপনার ড্যাসবোড কন্ট্রোলে গিয়ে ল্যাংগুয়েজ পাল্টালেই চলবে।৫। ইউজার রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।সমস্যা: ফ্রি জিসিষের সমস্যা তো আছেই। যেমন, আপনি রুটলেভেলের অনেক কিছু চেন্জ করতে পারবেন্না। থিমএ পরিবর্তন আনতে হিমষিম খেতে হবে। লিমিটেড ইউজার কম্পাটিবিলিটি।এবার আসি ওয়ার্ড প্রেস.ওআরজি (http://wordpress.org/) তে।আপনার যদি নিজস্ব সার্ভার খাকে তাহলে এখান হতে ওয়ার্ডপ্রেস ডাউনলোড করে আপনার সার্ভারে ইনস্টল করতে পারবেন।যা যা দরকার সার্ভারেphp,MYSQL,Apache Supported server. ব্যাস আর কিছুনা। কি কি আছে? ::উপরের সব সুবিধাই আছে। তবে আসল সুবিধা হলো আপনি আপনার ইচ্ছামত কোডিং ব্যবহার করে ওয়ার্ডপ্রেস সাজাতে পারবেন। বানাতে পারবেন থিম,উইজেক্টস ইত্যাদি। আপনার সাইটে ইউজার রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। লিখতে পারবে ব্লগ। আপনি নিজে থিম তৈরী করে বিক্রি বা ফ্রি দিতে পারবেন। সবই থাকবে আপনার হাতের মুঠোয়।REF:http://wordpress.org/http://wordpress.com/Download wordpress fromhttp://wordpress.org/download extended features (themes/widgets)http://wordpress.org/extend/